অপার্থিব

অপার্থিব

দোর দিওনা মিছে আর
কলরব তো থামাতেই পারতে!
একটুকরো ঘুমের চাদরে শুইয়ে রেখে,
আমাকে হঠাৎ এখন চলে যেতে বলছ।

তোমার চোখের এই নিষ্পাপ কান্নার দ্রবণ,
জিহ্বায় লালাকে লবণাক্ত করে দিচ্ছে,
হাপরের মত বুকের সৌধ ওঠানামা করছে,
তাও এখনো আমায় বলছ ” ঘুমাও”!

অতিশেষের অবশেষ হল যেন আজ,
ফোরালো আশ্বিনের ধনধান‍্য,
হিমের দ্রবণ এসে চুমু দিল আঙুলে আবার
ওহ্ কি রিক্ত আমি! সংবেদ কোথায় আমার?

নবান্নের ধানক্ষেতে উড়ে গেছে,
কালো ছাই, মন্বন্তর মেখেছে আজ অঙ্গে,
এ কে নারী? অকপটে আজ যেন শ্বেতা,
কে হে তুমি? আর কে কে আছে সঙ্গে?

ঘুমিয়েছে ঝাউপাতারা আজ,
একটুকরো চিরহরিৎ অরণ‍্য এখনো
জেগে আছে তার নাভিপদ্মের নীচে।
নাভি তো পোড়েনা বল? কখনো কি পুড়েছে?
কি অযথা শোক হে রমণী?
বল একা আর কে বা মরেছে?

Share This
Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on telegram
Share on email
Share on linkedin
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
আলো পড়ে আসলেই কেল্লার গম্বুজগুলোর ভিতর থেকে ট্যাঁ ট্যাঁ করে টিয়ার ঝাঁক বেরিয়ে আসে বাসায় ফেরার জন্য। বাথানের মোষগুলো কাদামেখে থপ্ থপ্ করে ফেরত …
ফুলের মত রঙীন ছিলে, পাপড়ি ছিঁড়ে হাওয়ায় কত, উড়িয়ে দিলাম বৃন্তচ‍্যূত, রঙীন শরীর, নরম মত। ফুলের মত রঙীন ছিলে, ওষ্ঠাধরে ছোঁবার ছলে, কামড় বসাই …
দ্বিপ্রহর হইতে প্রবল বর্ষণে বেত্রবতী তীরস্হ প্রাচীন জনপদটি এক্ষণে প্রায় জলমগ্ন। দূরদূরান্ত হইতে ভেকের কলরবের শব্দ ক্রমাণ্বয়ে বারিধারার সহিত উচ্চরোলে বাজিতেছে। পথঘাট জনশূন‍্য। নিশিবাসরের …
আজ একটা আবার একটা সকাল। কিন্তু নতুন কিছুর উজ্জীবন নয় মোটেও। সেই কালকের বাসি পাঁউরুটি আর ঝিম্ ধরা গ্লাসে ধোঁয়া ওঠা চা। আজ তিনদিন …
সেদিন তবু তুমি আসবে বলেছিলে,সে ঘনঘোর রাত্রির উষ্মায়,তখন দুটো হাত ছড়িয়ে খুঁজতাম,যদি,একবার এসে দাও নিষ্কলঙ্ক আশ্রয়যদি দাও, অন‍্য জীবনের স্বাদ… তারপর আস্তে আস্তে বেলা …
হাত ধরো, অনন্ত বৈশাখী ঝড় এসে গেছেআমি খড়কুটো হয়ে উগ্র বাসনার সাথে উড়ে,চল, কার্ণিশে গিয়ে আজ দাঁড়াইএকটু না হয় ভিজি! তারপর! আজ প্লাবন এলে …
Read More
আলো পড়ে আসলেই কেল্লার গম্বুজগুলোর ভিতর থেকে ট্যাঁ ট্যাঁ করে টিয়ার ঝাঁক বেরিয়ে আসে বাসায় ফেরার জন্য। বাথানের মোষগুলো কাদামেখে থপ্ থপ্ করে ফেরত …
ফুলের মত রঙীন ছিলে, পাপড়ি ছিঁড়ে হাওয়ায় কত, উড়িয়ে দিলাম বৃন্তচ‍্যূত, রঙীন শরীর, নরম মত। ফুলের মত রঙীন ছিলে, ওষ্ঠাধরে ছোঁবার ছলে, কামড় বসাই …
দ্বিপ্রহর হইতে প্রবল বর্ষণে বেত্রবতী তীরস্হ প্রাচীন জনপদটি এক্ষণে প্রায় জলমগ্ন। দূরদূরান্ত হইতে ভেকের কলরবের শব্দ ক্রমাণ্বয়ে বারিধারার সহিত উচ্চরোলে বাজিতেছে। পথঘাট জনশূন‍্য। নিশিবাসরের …
আজ একটা আবার একটা সকাল। কিন্তু নতুন কিছুর উজ্জীবন নয় মোটেও। সেই কালকের বাসি পাঁউরুটি আর ঝিম্ ধরা গ্লাসে ধোঁয়া ওঠা চা। আজ তিনদিন …
সেদিন তবু তুমি আসবে বলেছিলে,সে ঘনঘোর রাত্রির উষ্মায়,তখন দুটো হাত ছড়িয়ে খুঁজতাম,যদি,একবার এসে দাও নিষ্কলঙ্ক আশ্রয়যদি দাও, অন‍্য জীবনের স্বাদ… তারপর আস্তে আস্তে বেলা …
হাত ধরো, অনন্ত বৈশাখী ঝড় এসে গেছেআমি খড়কুটো হয়ে উগ্র বাসনার সাথে উড়ে,চল, কার্ণিশে গিয়ে আজ দাঁড়াইএকটু না হয় ভিজি! তারপর! আজ প্লাবন এলে …

No connection